শনিবার, ২৩ মে ২০২৬, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
রাজধানীতে কারিগরি চাকরি মেলা: ৩ হাজার পদে নিয়োগের সুযোগে ২৫ হাজার আবেদন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় নিয়োগ ২০২৬: ৩৭টি শূন্য পদে বিশাল সার্কুলার শক্তি ফাউন্ডেশনে বিশাল নিয়োগ! অভিজ্ঞতা ছাড়াই ১২৩০ জনের চাকরির সুযোগ। দিনাজপুর কর অঞ্চল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | Taxes Zone Dinajpur Job Circular 2026 বেসরকারি সংস্থা সেতু (SETU) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | NGO Job Circular 2026 বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | BARI Job Circular 2026 বিআইডব্লিউটিএ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | BIWTA Job Circular 2026 মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | DNC Job Circular 2026 🇧🇩 পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬ | ই-পাসপোর্ট আবেদন ও ফি নির্দেশিকা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বিটোপিয়াতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | Betopia Group Job Circular 2026 তথ্য অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | PID Job Circular 2026 বাংলাদেশ পুলিশ এএসআই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | Bangladesh Police ASI Job Circular 2026 বাংলাদেশ নৌবাহিনী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | Bangladesh Navy Job Circular 2026 শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | SUST Job Circular 2026 মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | MTB Bank Job Circular 2026 বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | BRDB Job Circular 2026 ব্র্যাক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | BRAC Job Circular 2026 বাংলাদেশ নৌবাহিনী বেসামরিক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | Bangladesh Navy Job Circular 2026 টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | DOT Job Circular 2026 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | National University NU Job Circular 2026
২৮ শতাংশ শূন্যপদে বিপর্যস্ত পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর
/ ৭৯২ দেখা হয়েছে
তারিখ ও সময় শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ ও মা–শিশু স্বাস্থ্যসেবায় বাংলাদেশের অগ্রগতি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হলেও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতায় সেই সাফল্য এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের কেন্দ্র থেকে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত প্রায় ২৮ শতাংশ পদ শূন্য থাকায় নিয়মিত সেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

অধিদপ্তরের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, অনুমোদিত পদের বড় অংশে জনবল না থাকায় স্বাস্থ্যশিক্ষা, জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বিতরণ এবং মাতৃসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ ঠিকমতো করা যাচ্ছে না।

সারা দেশে জনবল সংকটের চিত্র

২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরে মোট অনুমোদিত পদ ৫৪ হাজার ২২৬টি। এর মধ্যে বর্তমানে ১৪ হাজার ৯৮১টি পদ শূন্য, যা মোট পদের প্রায় ২৮ শতাংশ। কর্মকর্তারা বলছেন, তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ না হওয়ায় বাস্তবে শূন্যপদের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে।

মাঠপর্যায়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ পরিবারকল্যাণ সহকারী। এই পদে অনুমোদিত সাড়ে ২৩ হাজারের বেশি পদের মধ্যে ৪ হাজার ১৮৮টি এখনো খালি। ইউনিয়ন পর্যায়ে তদারকির দায়িত্বে থাকা ৩৭১টি পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শকের পদও পুরোপুরি শূন্য

এ ছাড়া সারা দেশের প্রায় আড়াই হাজার ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের মধ্যে ৮৭৮টিতে কোনো মেডিক্যাল অফিসার নেই

জেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ভয়াবহ অবস্থা

জেলা পর্যায়ের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। রাজশাহীতে প্রায় ৩৬ শতাংশ, ফরিদপুরে ৩৯ শতাংশ পদ শূন্য। ফরিদপুরে মোট ৩৩টি পদের মধ্যে ৮টিতে একজন কর্মীও নেই। মিডওয়াইফ ও সহকারী পরিচালকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোও সেখানে পুরোপুরি খালি।

পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে ৪৪ শতাংশ এবং গাইবান্ধায় ৩৮ শতাংশ পদে জনবল নেই। ফলে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে জন্মনিয়ন্ত্রণ উপকরণ বিতরণ, গর্ভবতী মা ও নবজাতকের নিয়মিত সেবা কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে।

একাধিক কর্মকর্তা জানান, একজন কর্মীকে তিনজনের কাজ করতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা সেবার মান ধরে রাখা প্রায় অসম্ভব করে তুলেছে।

দীর্ঘ নিয়োগ জটিলতায় সংকট

অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের মতে, নিয়োগপ্রক্রিয়ার দীর্ঘস্থায়ী স্থবিরতাই এই সংকটের মূল কারণ। সর্বশেষ ২০২০ সালে ৩৬টি ক্যাটাগরিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও পাঁচ বছরে মাত্র ৯টি ক্যাটাগরির নিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ২৭টি ক্যাটাগরির নিয়োগ এখনো ঝুলে আছে।

নিজস্ব নিয়োগবিধি না থাকায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ওপর নির্ভর করতে হয় অধিদপ্তরকে। ২০২২ সালের পর নতুন করে কোনো পদের অনুমোদন না আসায় ফলাফল প্রস্তুত থাকলেও নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না। আদালতে চলমান মামলাসংক্রান্ত জটিলতাও নিয়োগ আটকে রাখছে। খাগড়াছড়িতে জেলা পরিষদের মাধ্যমে নিয়োগের উদ্যোগও আদালতের স্থগিতাদেশে বন্ধ রয়েছে।

সংস্কার পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা

এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরসহ তিনটি দপ্তর একীভূত করে ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর’ গঠনের আলোচনা চলছে। এতে অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ বেড়েছে। নতুন কাঠামোয় নিয়োগ ও পদোন্নতির ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মীর সাজেদুর রহমান জানান, নতুন একটি নিয়োগবিধি অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেটি অনুমোদিত হলে সারা দেশের শূন্যপদের তালিকা সংগ্রহ করে নতুন করে নিয়োগপ্রক্রিয়া শুরু করা যাবে।

তবে জনবল সংকট নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আশরাফী আহমদ

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Total Post : 154